সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৪

সেরা ৫টি SEO প্লাগইন্স

সংগ্রহে রাখতে পারেন সেরা ৫টি SEO প্লাগইন্স:

আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম ২০১৪ সালের সেরা ৫ টি এসইও প্লাগইন্স। যারা ওয়েবসাইট চালান একমাত্রই তারাই এসইও এর মর্ম বুঝবেন । যাই হোউক এসইও এর গুরুত্ব বলে শেষ করে যাবে না।
যারা ওয়ার্ডপ্রেস এ ব্লগ চালান তারা এই ৫টি প্লাগইন্স ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আশা করি ভালো ফল পাবেন। তাইলে আর দেরি না করি…

SEOPressor

SEOPressor is all in one and truly the most powerful wordpress SEO plugin ever built. It has power to manage all your pages, posts, custom post formats or in simple terms your complete website.

রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৪

আয় করুন অনলাইনে ফাইল শেয়ারিং করে – না দেখেল মিস করবেন !

আয় করুন ফাইল শেয়ারিং করে

নিজের দেশের শতকরা ৭০ ভাগ  ইন্টারনেট ইউজারই যে কোন না কোন ভাবে নিজের সময়ের মূল্যবান অংশ ব্যয় করছেন ইন্টারনেটে আয় করার পিছনে এটুকু সিউর। অনেকেই হয়তো সফল হয়েছেন তাদেরকে সাধুবাদ জানাই, তবে সিংহভাগই যে ব্যর্থ সেটা মুখ ফুটে বলার প্রয়োজন হয়না… যারা টেকনলজী বিষয়ে সাধারণ জ্ঞান রাখেন মাত্র তারাও আপাদ-মস্তক চিন্তা-ভাবনা না করেই ছুটছেন আয়ের পিছে, অতঃপর নিজের মূল্যবান সময় অপচয় করে অনলাইনে আয় সম্পর্কে ভুল ধারণা লাভ করছেন।জানাবো কিভাবে আপনি ফাইল শেয়ারিং করে করে প্রতিদিন আয় করতে পারবেন।তবে চেষ্টা করলে ভালো কিছু পাওয়া সম্ভব।
আয় করা সাধারণ বিষয় না, দুনিয়ার সকল প্রকার মানুষ কাজ করে কিছু টাকা আয়ের জন্যই। হোক সেটা অনলাইনে আর হোক সেটা ব্যবসা বা চাকরির মাধ্যমে, যেভাবেই আপনি আয় করতে চান না কেন আপনাকে কষ্ট করতেই হবে, বিনা কষ্টে কেউ আপনাকে টাকা দেবে না। ইন্টারনেট ব্যবহারে যারা নতুন তারা কোনভাবে কারও কাছে ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে শুনেই নেমে পড়েন আয়ের উদ্দেশ্যে, কিন্তু সেটা যদি এতোই সহজ হত তবে কোন মানুষই আর গরীব থাকতো না।
কি অবাক হচ্ছেন? ফাইল আপলোড করে আবার কি ভাবে আয় করা যায়? অবিশ্বাস হলেও সত্যি। এরকমই একটি সাইট গ্লোবাল সেয়ার ডট কম। এখানে আয় করতে হলে আপনাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। এখানে ক্লিক করে রেজিষ্ট্রেশন করুন।ফাইল আপলোড করুন। এবং আপনার আপলোডকৃত ফাইল গুলো যে কেউ শেয়ারিং করলে সাথে সাথে আপনার আয় আসতে শুরু করবে। এর পর সাইন ইন থাকা অবস্থায় আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল আপলোড করুন। আপলোড শেষ হলে আপনি একটি শেয়ারিং লিংক পাবেন। এই শেয়ারিং লিংক আপনি আপনার বন্ধুদের দিয়ে দিন অথবা আপনার ওয়েবসাইটে দিয়ে দিন। প্রতি ফাইল পোষ্ট করলে পাবেন ১০ Cents আর প্রত্যেকে আপনার ফাইল ভিউ করলে পাবেন প্রতি ফাইল এর জন্য  ৩ Cents. এখানে ফাইল পোষ্ট করলেও আয় পাবেন, ভিউ করলেও পাবেন। অবশ্যই এটা খুব ভালো একটা ফিগার! আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে দিন। আশা করি টাকা দিয়ে কোথাও অ্যাকাউন্ট খোলার চেয়ে এটা বাংলাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলবে। সাইটে ওদের একটি ভিডিও আছে। দেখলেই বাকি সব বুঝবেন আশা করি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে আমি তো আছিই।এই লিংক থেকে ১০০ View/Like/Comments হলেই আপনি পাবেন ২০ ডলার পর্যন্ত । আর নুন্যতম ৩০ ডলার হলেই আপনি পেপাল এর মাধ্যমে টাকা উঠাতে পারবেন।

বিজনেস কার্ড মকআপ ডিজাইন

  -:কার্ড মকআপ ডিজাইন:-

বর্তমান সময়ে গ্রাফিক প্রেজেন্টেশনের জন্য একটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে মকআপ। বিশেষ করে যারা অনলাইন কনটেস্টগুলোতে অংশগ্রহণ করে থাকেন তারা এর ব্যবহারটা উল্লেখযোগ্য হারে দেখে থাকেন। আজকের এই মকআপ ডিজাইন টিউটোরিয়ালটা মূলত: তাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে। আশা রাখছি পোস্টটি আপনাদের উপকারে আসবে।

মকআপ ডিজাইন শুরু করার পূর্বে জেনে রাখা উচিত যে, মকআপ ডিজাইন আসলে কি?

মকআপ হচ্ছে কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের মডেল বা ছাঁচ। যে মডেল এর উপর বিভিন্ন সময় বিভন্ন প্রোডাক্ট দিয়ে টেস্ট বা ডিসপ্লে করা যায়। যদি বিষয়টাকে একটু সহজ করে বলি তাহলে হবে- ধরলাম আমরা একটি বিজনেস কার্ড ডিজাইন করেছি। এখন এই বিজনেস কার্ডটিকে প্রেজেন্ট করার জন্য টেবিল এর উপরে স্ট্যাক আকারে অথবা এমনিতেই ফেলে রেখে প্রেজেন্ট করতে চাচ্ছি। কিছুদিন পর আবার অন্য আরেকটি বিজনেস কার্ড একই পদ্ধতিতে প্রেজেন্ট করার ইচ্ছে পোষন করলে দেখা যাবে আগের মতই আবার সময় ব্যয় করে ডিজাইন করতে হচ্ছে। আর মকআপ তৈরি করে রাখা হলে এখানেই আপনার স্বস্তি। আপনি জাস্ট আগের ডকুমেন্ট অপেন করে নতুন বিজনেজ কার্ড দিয়ে দিলে অটোমেটিক আগের মত প্রেজেন্টশন হয়ে যাবে। যা আপনার সময় এবং পরিশ্রম দু’টোকেই বাঁচাবে বহুলাংশে।

 বিজনেস কার্ড এর মকআপ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ধাপসমূহ:

১.            প্রথমে ফটোশপ অপেন করে আমরা একটি নতুন ডকুমেন্ট নিব। ডকুমেন্ট সাইজ হবে আপনি যে সাইজে প্রেজেন্টশন করতে চাচ্ছেন তার সমান। আমরা এখানে ৮০০*৬০০ পিক্সেলের একটি ডকুমেন্ট নিচ্ছি।
mockup1
২.           এবার আমরা একটি ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করতে পারি। যেহেতু আমরা কার্ডটিকে টেবিলের উপর রাখতে চাচ্ছি তাই আমাদের একটি উডেন টেক্সচার তৈরি করতে হবে অথবা আমরা উডেন টেক্সচার ডাউনলোড করেও ইউজ করতে পারি। মোট কথা আমরা কার্ডটিকে যে এনভায়রনমেন্টে রাখতে চাচ্ছি তা আমাদের এই স্টেপে তৈরি করতে হবে।
৩.           নতুন আরেকটি ডকুমেন্ট নিব এবং এটার সাইজ হবে বিজনেস কার্ডের সাইজের সমান। এখানে আমরা ৩.২৫ * ২ ইঞ্চি এই সাইজটাকে ব্যবহার করছি ।
৪.           এবার বিজনেস কার্ড ডকুমেন্টের ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারটির উপর রাইট বাটন ক্লিক করে কনভার্ট টু স্মার্ট অবজেক্ট করলাম। এর ফলে লেয়ারটি স্মার্ট লেয়ারে কনভার্ট হলো।
mockup2
৫.           এবার লেয়ারটিকে ড্র্যাগ করে প্রেজেন্টেশন ডকুমেন্ট এর উপর ছেড়ে দিব এবং বিজনেস কার্ড ডকুমেন্টটি ক্লোজ করে দিতে পারি। এমনকি ডকুমেন্টটি সেভ করারও দরকার নেই।