রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

সহজ উপায়ে তৈরী করে ফেলুন আপনার ছবি দিয়ে gif এনিমেশন

আজ আমরা শিখব কিভাবে ফটোশপ আর adobe Image Ready দিয়ে ছবির এনিমেশন তৈরি করা যায় তার নিয়ম।
তাহলে শুরু করা যাক আজকের টিউন।
প্রথমে ফটোশপ চালু করুন।
তারপর File>New তে ক্লিক করে নিচের মাপ দিয়ে Ok করুন।

এবার টুলবার থেকে গ্রাডিয়েন্ট টুল সিলেক্ট করুন, এবার গ্রাডিয়েন্ট স্টাইল থেকে যে কোন একটি স্টাইল পছন্দ করুন।

ফটোশপের ছবির ছায়া তৈরি করা

ফটোশপের মাধ্যমে ছায়ার সাথে গল্প বলা:
ফটোশপের মাধ্যমে ছবির অনেক সুন্দর সুন্দর কাজ করা যায়। আজ আমরা শিখব কিভাবে একটা ছবির ছায়া তৈরি করা যায়। এই টিউটোরিয়ালটি মূলত ফটোশপ সিএস৬ করা। এরজন্য যা করতে হবে তা হচ্ছে আপনার পছন্দের যে কোন একটি ওপেন করতে হবে।

ধাপ-১: একটি ছবি ওপেন

1

নিজে নিজেই আপনার ব্লগ সাইট/টিভির এ্যাড তৈরি করুন (ফটোশপে ডিজাইন করে)

আজকাল টিভিতে / বিভিন্ন ব্লগে সাইটে আমরা প্রায়ই বিভিন্ন এ্যাড দেখে থাকি, এই এ্যাড গুলো কিভাবে তৈরি করে আজ আমরা শিখব,
তাহলে চলুন কিভাবে ফটোশপ ব্যবহার করে আমরা এ ধরনের এ্যাড তৈরী করতে পারি।
নিচের নিয়ম গুলো অনুসরণ করুন ভালো করে।
প্রথমে ফটোশপ চালু করুন...
এবার মেনুবার থেকে File > New কমান্ড দিয়ে যে কোন মাপের একটি পেজ নিন।
নিচে আমি একটি নিলাম আপনারা যে কোন মাপের নিতে পারেন।

তৈরি করুন এডোবি ফটোশপ ও ইমেজরেডি দিয়ে ছবির এনিমেশন

আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালোই আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি। ছবি সম্পাদনা, গ্রাফিক্স তৈরী ও নানা কাজে এডোবি ফটোশপ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি এডোবি ফটোশপ ও ইমেজরেডি দিয়ে কিভাবে ছবির এনিমেশন তৈরি করা যায়, তাহলে চলুন শুরু করা যাক আজকের পর্ব।
প্রথমে আপনাকে ফটোশপ চালু করতে হবে।


মুছে ফেলুন পিসির অপ্রয়োজনীয় সব ফাইল

এক ক্লিকেই মুছে ফেলুন পিসির অপ্রয়োজনীয় সব ফাইল

প্রথমে নোট প্যাড ওপেন করে নিচের কোডগুলো কপি করে পেষ্ট করুন।

@echo off
@echo.
del “C:\WINDOWS\Temp” /s /q
del “C:\Documents and Settings\User_Name\Recent” /s /q
del “c:\Documents and Settings\User_Name\local settings\temp” /s /q
del “c:\Documents and Settings\User_Name\local settings\history” /s /q
del “c:\Documents and Settings\User_Name\local settings\temporary” /s /q
del “C:\Documents and Settings\User_Name\Application Data\Microsoft\Office\Recent” /s /q
del “C:\Documents and Settings\User_Name\Local Settings\Temporary Internet Files” /s /q
del “C:\WINDOWS\system32\1054″ /s /q
del “c:\windows\prefects” /s /q
del “C:\Program Files\Uninstall Information” /s /q
del “c:\Documents and Settings\User_Name\Cookies” /s /q
del “C:\WINDOWS\Offline Web Pages” /s/q
del “C:\WINDOWS\Prefetch” /s/q
del “C:\WINDOWS\system32\wbem\Logs\*.log” /s/q
del “C:\WINDOWS\*.log” /s/q
@echo
@end

কোড গুলোর মধ্যে দেখুন অনেক যায়গায় লেখা আছে  User_Name সেখানে আপনার কম্পিউটারের ইউজার Name লিখতে হবে। ইউজার নাম পেতে আপনি start এ ক্লিক করে run এ ক্লিক করুন। তারপর লিখুন cmd তারপর ইন্টার দেন। দেখবেন cmd মেনু ওপেন হয়েছে। এখানে Document and setting এর সামনে আপনার ইউজার Name লেখা আছে। উপরের যে সব যায়গায় User_Name শব্দটি লেখা আছে সে সব যায়গায় cmd মেনু থেকে পাওয়া হুবহু সেই ইউজার নামটি লিখুন। তারপর file এ গিয়া save as এ ক্লিক করুন। দেখবেন একটি ডায়লগ বক্স আসছে। সেখানে file Name এর ঘরে clean my pc.bat লিখুন। নিচের ঘরে save as type এর ঘরে All files Select করুন। তারপর Desktop এ Save করুন। এবার দেখুন Desktop এ Clean My Pc নামে একটি আইকন আসছে। সেই আইকনটিতে ডবল ক্লিক করুন আর দেখুন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপ্রয়োজনীয় সব ফাইল মুছে যেতে শুরু করেছে। এভাবে দিনে দুই তিন বার ডবল ক্লিক করুন আর মুছুন। সবাইকে কষ্ট করে পোষ্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আর এটি ব্যবহার করে একটু উপকার পেলে আমার কষ্ট সার্থক হবে।

সহজেই MP3 বা Audio File এ নিজের ছবি এড করুন

আজ আপনাদের একটি পুরান জিনিস শিখাবো আর সাথে কিভাবে এই কাজের ফিনিশিং দিবেন তা সম্পুর্ণ নতুনভাবে শিখাবো। তাহলে চলুন প্রথমে পুরান জিনিস শিখি।

কিভাবে MP3 বা Audio File এ নিজের ছবি এড করবেনঃ
কোন সফটওয়্যার লাগবে না, প্রথমে Windows Media Player যেটি Default Player এর সাহায্যে আপনার Audio File ওপেন করুন তারপর Play list থেকে সেই File এর উপর মাউসের Right Button ক্লিক করুন তারপর Advanced Tag Editor এ ক্লিক করুন এখান থেকে চাইলে টাইটেল Name Change করতে পারেন আর যদি Picture বা ছবি এড করতে চান তাহলে Picture Tab এ যান সেখান থেকে Add Button এ ক্লিক করুন আর লোকেশন দেখিয়ে OK দিন। আর যদি আগের থেকে কোন ছবি এড করা থাকে এবং সেই ছবিকে যদি ডিলিট করতে চান তাহলে সেই ছবি সিলেক্ট করে Add Button এর নিচে Delete Button এ ক্লিক আছে তাতে ক্লিক করেন। এরপর Apply/ OK দেন, বাস হয়ে গেল।


সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৪

সেরা ৫টি SEO প্লাগইন্স

সংগ্রহে রাখতে পারেন সেরা ৫টি SEO প্লাগইন্স:

আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম ২০১৪ সালের সেরা ৫ টি এসইও প্লাগইন্স। যারা ওয়েবসাইট চালান একমাত্রই তারাই এসইও এর মর্ম বুঝবেন । যাই হোউক এসইও এর গুরুত্ব বলে শেষ করে যাবে না।
যারা ওয়ার্ডপ্রেস এ ব্লগ চালান তারা এই ৫টি প্লাগইন্স ব্যবহার করে দেখতে পারেন। আশা করি ভালো ফল পাবেন। তাইলে আর দেরি না করি…

SEOPressor

SEOPressor is all in one and truly the most powerful wordpress SEO plugin ever built. It has power to manage all your pages, posts, custom post formats or in simple terms your complete website.

রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৪

আয় করুন অনলাইনে ফাইল শেয়ারিং করে – না দেখেল মিস করবেন !

আয় করুন ফাইল শেয়ারিং করে

নিজের দেশের শতকরা ৭০ ভাগ  ইন্টারনেট ইউজারই যে কোন না কোন ভাবে নিজের সময়ের মূল্যবান অংশ ব্যয় করছেন ইন্টারনেটে আয় করার পিছনে এটুকু সিউর। অনেকেই হয়তো সফল হয়েছেন তাদেরকে সাধুবাদ জানাই, তবে সিংহভাগই যে ব্যর্থ সেটা মুখ ফুটে বলার প্রয়োজন হয়না… যারা টেকনলজী বিষয়ে সাধারণ জ্ঞান রাখেন মাত্র তারাও আপাদ-মস্তক চিন্তা-ভাবনা না করেই ছুটছেন আয়ের পিছে, অতঃপর নিজের মূল্যবান সময় অপচয় করে অনলাইনে আয় সম্পর্কে ভুল ধারণা লাভ করছেন।জানাবো কিভাবে আপনি ফাইল শেয়ারিং করে করে প্রতিদিন আয় করতে পারবেন।তবে চেষ্টা করলে ভালো কিছু পাওয়া সম্ভব।
আয় করা সাধারণ বিষয় না, দুনিয়ার সকল প্রকার মানুষ কাজ করে কিছু টাকা আয়ের জন্যই। হোক সেটা অনলাইনে আর হোক সেটা ব্যবসা বা চাকরির মাধ্যমে, যেভাবেই আপনি আয় করতে চান না কেন আপনাকে কষ্ট করতেই হবে, বিনা কষ্টে কেউ আপনাকে টাকা দেবে না। ইন্টারনেট ব্যবহারে যারা নতুন তারা কোনভাবে কারও কাছে ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে শুনেই নেমে পড়েন আয়ের উদ্দেশ্যে, কিন্তু সেটা যদি এতোই সহজ হত তবে কোন মানুষই আর গরীব থাকতো না।
কি অবাক হচ্ছেন? ফাইল আপলোড করে আবার কি ভাবে আয় করা যায়? অবিশ্বাস হলেও সত্যি। এরকমই একটি সাইট গ্লোবাল সেয়ার ডট কম। এখানে আয় করতে হলে আপনাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। এখানে ক্লিক করে রেজিষ্ট্রেশন করুন।ফাইল আপলোড করুন। এবং আপনার আপলোডকৃত ফাইল গুলো যে কেউ শেয়ারিং করলে সাথে সাথে আপনার আয় আসতে শুরু করবে। এর পর সাইন ইন থাকা অবস্থায় আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল আপলোড করুন। আপলোড শেষ হলে আপনি একটি শেয়ারিং লিংক পাবেন। এই শেয়ারিং লিংক আপনি আপনার বন্ধুদের দিয়ে দিন অথবা আপনার ওয়েবসাইটে দিয়ে দিন। প্রতি ফাইল পোষ্ট করলে পাবেন ১০ Cents আর প্রত্যেকে আপনার ফাইল ভিউ করলে পাবেন প্রতি ফাইল এর জন্য  ৩ Cents. এখানে ফাইল পোষ্ট করলেও আয় পাবেন, ভিউ করলেও পাবেন। অবশ্যই এটা খুব ভালো একটা ফিগার! আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে নিচে কমেন্ট করে দিন। আশা করি টাকা দিয়ে কোথাও অ্যাকাউন্ট খোলার চেয়ে এটা বাংলাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলবে। সাইটে ওদের একটি ভিডিও আছে। দেখলেই বাকি সব বুঝবেন আশা করি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে আমি তো আছিই।এই লিংক থেকে ১০০ View/Like/Comments হলেই আপনি পাবেন ২০ ডলার পর্যন্ত । আর নুন্যতম ৩০ ডলার হলেই আপনি পেপাল এর মাধ্যমে টাকা উঠাতে পারবেন।

বিজনেস কার্ড মকআপ ডিজাইন

  -:কার্ড মকআপ ডিজাইন:-

বর্তমান সময়ে গ্রাফিক প্রেজেন্টেশনের জন্য একটি আলোচিত বিষয় হচ্ছে মকআপ। বিশেষ করে যারা অনলাইন কনটেস্টগুলোতে অংশগ্রহণ করে থাকেন তারা এর ব্যবহারটা উল্লেখযোগ্য হারে দেখে থাকেন। আজকের এই মকআপ ডিজাইন টিউটোরিয়ালটা মূলত: তাদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে। আশা রাখছি পোস্টটি আপনাদের উপকারে আসবে।

মকআপ ডিজাইন শুরু করার পূর্বে জেনে রাখা উচিত যে, মকআপ ডিজাইন আসলে কি?

মকআপ হচ্ছে কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের মডেল বা ছাঁচ। যে মডেল এর উপর বিভিন্ন সময় বিভন্ন প্রোডাক্ট দিয়ে টেস্ট বা ডিসপ্লে করা যায়। যদি বিষয়টাকে একটু সহজ করে বলি তাহলে হবে- ধরলাম আমরা একটি বিজনেস কার্ড ডিজাইন করেছি। এখন এই বিজনেস কার্ডটিকে প্রেজেন্ট করার জন্য টেবিল এর উপরে স্ট্যাক আকারে অথবা এমনিতেই ফেলে রেখে প্রেজেন্ট করতে চাচ্ছি। কিছুদিন পর আবার অন্য আরেকটি বিজনেস কার্ড একই পদ্ধতিতে প্রেজেন্ট করার ইচ্ছে পোষন করলে দেখা যাবে আগের মতই আবার সময় ব্যয় করে ডিজাইন করতে হচ্ছে। আর মকআপ তৈরি করে রাখা হলে এখানেই আপনার স্বস্তি। আপনি জাস্ট আগের ডকুমেন্ট অপেন করে নতুন বিজনেজ কার্ড দিয়ে দিলে অটোমেটিক আগের মত প্রেজেন্টশন হয়ে যাবে। যা আপনার সময় এবং পরিশ্রম দু’টোকেই বাঁচাবে বহুলাংশে।

 বিজনেস কার্ড এর মকআপ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ধাপসমূহ:

১.            প্রথমে ফটোশপ অপেন করে আমরা একটি নতুন ডকুমেন্ট নিব। ডকুমেন্ট সাইজ হবে আপনি যে সাইজে প্রেজেন্টশন করতে চাচ্ছেন তার সমান। আমরা এখানে ৮০০*৬০০ পিক্সেলের একটি ডকুমেন্ট নিচ্ছি।
mockup1
২.           এবার আমরা একটি ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করতে পারি। যেহেতু আমরা কার্ডটিকে টেবিলের উপর রাখতে চাচ্ছি তাই আমাদের একটি উডেন টেক্সচার তৈরি করতে হবে অথবা আমরা উডেন টেক্সচার ডাউনলোড করেও ইউজ করতে পারি। মোট কথা আমরা কার্ডটিকে যে এনভায়রনমেন্টে রাখতে চাচ্ছি তা আমাদের এই স্টেপে তৈরি করতে হবে।
৩.           নতুন আরেকটি ডকুমেন্ট নিব এবং এটার সাইজ হবে বিজনেস কার্ডের সাইজের সমান। এখানে আমরা ৩.২৫ * ২ ইঞ্চি এই সাইজটাকে ব্যবহার করছি ।
৪.           এবার বিজনেস কার্ড ডকুমেন্টের ব্যাকগ্রাউন্ড লেয়ারটির উপর রাইট বাটন ক্লিক করে কনভার্ট টু স্মার্ট অবজেক্ট করলাম। এর ফলে লেয়ারটি স্মার্ট লেয়ারে কনভার্ট হলো।
mockup2
৫.           এবার লেয়ারটিকে ড্র্যাগ করে প্রেজেন্টেশন ডকুমেন্ট এর উপর ছেড়ে দিব এবং বিজনেস কার্ড ডকুমেন্টটি ক্লোজ করে দিতে পারি। এমনকি ডকুমেন্টটি সেভ করারও দরকার নেই।

বৃহস্পতিবার, ৮ মে, ২০১৪

স্বল্প সময়ে অ্যাডসেন্স নিন

 মাত্র ২ থেকে ৬ ঘণ্টায় নিয়ে নিন অ্যাডসেন্স ।

এই অ্যাডসেন্স পাওয়ার ব্যবস্থা অনেকেই হয়ত জানেন আবার অনেকে জানেন না।আপনারা অনেকেই আবার ১০০০/২০০০ টাকা দিয়ে অ্যাডসেন্স কেনেন।  যারা জানেন না, তাদের জন্য আমার এই পোস্ট।

যা যা লাগবেঃ

  • একটা জি-মেইল আকাউণ্ট।
  • বাংলাদেশি মোবাইল নাম্বার(গুগল ভেফিফিকেসন এর জন্য)
  • প্রথমে  ইউটিউবে একটি চ্যানেল খুলুন।
  • আপনার লোকেশন ইউনাইটেড স্টেট দিন।
  • আপনার অ্যাকাউন্ট ভিডিও মোনাটাইজেশন করুন।
  • যে কোন একটি ইউনিক ভিডিও আপলোড করুন।আপনার নিজের ভিডিও।
  • মোনাটাইজেশন ট্যাবে যেয়ে অ্যাডসেন্সের পাবার জন্য আবেদন করুন।
  • অ্যাডসেন্সে আপনার মূল ঠিকানা (বাসা নাম্বার, রাস্তা, থানা, সহর) সঠিক ভাবে দিন এবং অবশ্যই আপনার দেশ সঠিকভাবে দিন।
  • একটা জিনিস অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন আপনার এই জিমেইল অ্যাকাউন্টটি যেন এর আগে অ্যাডসেন্সের জন্য ডিসঅ্যাপ্রুভ না হয়ে থাকে।( এ জন্য নতুন জি- মেইল ব্যবহার করুন)।
  • এইখানে অ্যাডসেন্স আপ্রুভ হলে আপনি টা আপনার ব্লগ/সাইট এ ব্যবহার করতে পারবেন।

আরেকটু ভাল ভাবে বোঝার জন্য ইউটিউবের এই ভিডিওটি দেখতে পারেন। বাংলার টিউটোরিয়াল। এইখানে ক্লিক করুন ইউটিউব এর জন্য। 

“সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন” কথন

“সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন” কথন:  ভিজিটরদেরকে ওয়েবসাইট এ নিয়ে আসার জন্য নিত্য নতুন কৌশল এসইও এক্সপার্ট দের কাছে শিখতে বেশ ভালোই লাগে। কিন্তু টিপস গুলো কে বাস্তবে প্রয়োগ করে ভিজিটর নিয়ে আসা “ভয়ংকর” ব্যাপার হয়ে দাড়ায়। আমার তো মাঝে মাঝে মনে হতো, এসইও না করে গুগল এ এড পোস্ট করলে ই তো হাজার হাজার ভিজিটর পাবো। এসইও করার কি দরকার? ওয়েবসাইট এ ভিজিটর নিয়ে আসার জন্য যদি এসইও করার প্রয়োজন হয়, তবে অফপেইজ অপটিমাইজেশন এর পরবর্তী ধাপ হল, ওয়েবসাইট এর জন্য টার্গেটএড ভিজিটর নিয়ে আসা।
 
আমি যখন এসইও নিয়ে পড়াশুনা করছিলাম, তখন যত এসইও এক্সপার্ট এর কাছে যেতাম, সবাই আমাকে বলত ডু-ফলো ব্যাকলিংক করো। আর এই ডু-ফলো ব্যাকলিংক যদি কী-ওয়ার্ড ভিত্তিক অ্যাংকর টেক্সট দিয়ে পাওয়া যায়, তবে গুগল, ইয়াহু এর সার্চ থেকে তোমার ভিজিটর আসবে ই। কথাটা ১০০% সত্যি কথা। কিন্তু আমার এসইও করার অভিজ্ঞতায় এর থেকে কঠিন নিয়ম আমি আর খুঁজে পাইনি। কারন প্রথম কথা হল, ডু-ফলো ব্যাকলিংক করার ওয়েবসাইট খুঁজে পাওয়া সহজ কথা নয়। তাছাড়া হাই পেইজরেঙ্ক ডু-ফলো ব্যাকলিংক তো আজকাল স্বপ্নের বিষয়।
আমার কথা হল, “আমি সেই সব ভিজিটর কে আমার ওয়েবসাইট এ আনব, যারা সরাসরি আমার ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট এর প্রতি আগ্রহী এবং আমার কাছে তারা গুগল এর সার্চ ভিজিটর এর মতোই ইম্পরট্যান্ট বা দরকারি।”
এই ধরনের টার্গেটএড ভিজিটর পাওয়ার জন্য বেশ কিছু বড় বড় “মার্কেট” রয়েছে। টার্গেটএড ভিজিটর পাওয়ার এই ধরনের মার্কেটপ্লেস হল সোশ্যাল মিডিয়া। যেমনঃ ফেইসবুক, টুঁইটার, ভিকে আরও অনেক অনেক ওয়েবসাইট। আজকাল অধিকাংশ  মানুষ গুগল এর সাথে সাথে ফেইসবুক এ সার্চ করতে বেশি সাছন্দ্য বোধ করেন। তাই ফেইসবুক এর মাধ্যমে ভিজিটর নিয়ে আসতে পারলে, ওয়েবসাইট এর ভ্যালু অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে বেঁড়ে যায়। এ ধরনের এসইও স্ট্রেটেজিকে বলা হয়, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এসইও। অফপেইজ অপটিমাইজেশন এর পরবর্তী ধাপ হল “সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এসইও” যা ওয়েবসাইট এ টার্গেটএড ভিজিটর নিয়ে আসে।

মঙ্গলবার, ৪ মার্চ, ২০১৪

14 Easy Ways to Creat Backlinks

Build Backlinks – 14 Easy Ways

Google optimization is based on the premise that the more people that like to your website, the more valuable it must be and the higher ranking it deserves in search results.
And almost two decades since it was devised, beneath the sophisticated mathematics, the hordes of MIT grads swallowed into the research and development department, and hundreds of billions of dollars in revenue lies a simple principle: Google optimization works. Popularity is a pretty good indicator of a website’s value.
But what constitutes popularity online? From a search engine’s perspective, backlinks from another site pointing to yours is a meaningful vote of confidence.
off page SEO 300x279 Build Backlinks   14 Easy Ways
We’re not talking here about links you put on your own website, although those “internal links” are indeed important and often underutilized. Let’s focus on how to build backlinks other people use to point attention toward your website via blogs, articles, social media sites, and so on. For example, “Here is my review of the best restaurant in New York (link pointing to your business).” And while tweets, likes, and +1’s are now becoming important ranking factors alongside linkshaving websites link back to you is very much still a basic requirement for getting search engine fueled website traffic.